📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
ভোট ও কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না এক যুগ: প্রধানমন্ত্রী
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম  (ভিজিটর : )

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গত এক যুগ মানুষের ভোট ও কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে মানুষ বুকের তাজা রক্ত দিয়ে সেই অধিকার ফিরিয়ে এনেছে। ৫ তারিখ দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। এখন মানুষ শান্তি চায়, কাজ চায়, ভালোভাবে বেঁচে থাকতে চায়। দেশের মানুষ এখন স্থিতিশীলতা চায়, শান্তি চায়, কর্মসংস্থান চায়, চিকিৎসা চায়, শিক্ষার সুযোগ চায়।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধেও নির্দ্বিধায় বলতে পারে। সংবাদপত্র সরকারের বিরুদ্ধেও লিখতে পারে। আজকে গণতন্ত্র, বাক্‌স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই আজকে আমরা জনগণের জন্য কাজ করতে পারছি,” বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, “এই দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। দেশের মানুষ যদি সতর্ক থাকে, তাহলে আমাদের আর কোনো চিন্তা করতে হবে না। দেশ এগিয়ে যাবে। তাই আজ আমি জনগণের হাতেই এই দেশের নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ সঁপে দিয়ে গেলাম।”

তারেক রহমান বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা একটা দল ছিলাম। কিন্তু আমরা যখন সরকার গঠন করেছি, তখন আমরা সব মানুষের সরকার। যারা ভোট দিয়েছে, যারা ভোট দেয়নি—সবার সরকার। আমরা সব মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিএনপি সরকার সব জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।”

বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “অতীতে দেখেছি, যখন দেশ এগিয়ে চলে, অর্থনীতি ও শান্তিশৃঙ্খলা স্থিতিশীল থাকে, তখনই দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। অতীতে বিএনপির বিরুদ্ধে একত্রিত হয়ে যারা আন্দোলন-আন্দোলন খেলা করেছিল, তারা আজকে আবার বলছে, এই সরকারকে একদিনও সময় দেওয়া যাবে না।”

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, “যারা বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা কি জনগণের স্বার্থে কথা বলছে, না নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে? তারা নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের শক্তির উৎস জনগণ। আমরা জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করি। জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনা করবে। যারা বলে বিএনপিকে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে কী করা উচিত? মনে আছে তো, একাত্তরে তারা কী করেছিল? ৮৬ সালে কী করেছিল? গত এক যুগ আন্দোলনেও তাদের পাওয়া যায়নি। এই সময়ে যারা শহীদ হয়েছে, জেল খেটেছে, তারা সবাই বিএনপির কর্মী।”

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেএমএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান প্রমুখ।

আরএ/আরএন
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
আরো দেখুন

Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news@dailyobserverbd.com, advertisement@dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd@gmail.com
🔝