📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম  (ভিজিটর : )

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা ফেরিঘাট এলাকায় বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই শিক্ষার্থীর নাম মেরাজ হোসেন (১৫) ও কায়েস ভুইয়া (১৩)। তারা রাজধানীর শনির আখড়ার বর্ণমালা স্কুল ও একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। সাতজন শিক্ষার্থী স্কুল ফাঁকি দিয়ে দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায়। এ সময় দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়।

নিখোঁজের প্রায় চার ঘণ্টা পর বুধবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত মেরাজ হোসেন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং কায়েস ভুইয়া একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মেরাজ হোসেন রাজধানীর কদমতলী থানার শনির আখড়া এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে এবং কায়েস ভুইয়া ধনিয়া এলাকার ফারুক ভুইয়ার ছেলে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের তিনজন এবং বর্ণমালা স্কুলের চারজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে একসঙ্গে সোনারগাঁয়ের মেঘনা ফেরিঘাট এলাকায় যায়। সেখানে তারা নদীতে গোসল করতে নামে। প্রথমে দুই শিক্ষার্থী পানিতে তলিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে মেরাজ ও কায়েস পানিতে নামলে তারাও নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নিখোঁজের চার ঘণ্টা পর প্রথমে মেরাজ হোসেন ও পরে কায়েস ভুইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের স্বজনরা জানান, স্কুল ফাঁকি দিয়ে কাউকে না জানিয়ে তারা মেঘনা নদীতে ঘুরতে এসেছিল। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে এসে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। তারা কেউ সাঁতার জানত না।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জোন-২ এর উপপরিচালক মো. ওসমান গনি বলেন, খবর পেয়ে দুই শিক্ষার্থীর উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়। নিখোঁজের চার ঘণ্টা পর মেঘনা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহ উদ্ধার করার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এমএইচ/আরএন
আরো দেখুন

Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news@dailyobserverbd.com, advertisement@dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd@gmail.com
🔝