যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সময় চাঞ্চল্যকর কিছু অভিযোগ সামনে এনেছেন তুলসি গ্যাবার্ড। তার দাবি, কোভিড-১৯ মহামারির সম্ভাব্য উৎস হিসেবে আলোচিত চীনের উহান ল্যাবে ‘গেইন-অব-ফাংশন’ গবেষণায় অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সাবেক মার্কিন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফাউচি।
গ্যাবার্ডের দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, মহামারির আগের সময়টাতে করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে বাদুড়ের করোনাভাইরাস নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ গবেষণায় অর্থায়ন করা হয়েছিল। এ অর্থায়নের সঙ্গে ফাউচির সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফাউচি ল্যাব-লিক তত্ত্ব আড়াল করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন এবং ভাইরাসের প্রাকৃতিক উৎস সম্পর্কিত ব্যাখ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল।
গ্যাবার্ডের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুনে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া সাক্ষ্যে ফাউচি এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছিলেন, যা নতুন প্রকাশিত নথির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ড. অ্যান্থনি ফাউচি বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গ্যাবার্ড তার বক্তব্যে বিষয়টিকে ‘ডিপ স্টেটের প্রভাব’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মহামারি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তথ্য গোপন ও ভিন্নমত দমন করা হয়েছে বলে তার দাবি।
তিনি আরও বলেন, কোভিড মহামারির উৎস ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি প্রয়োজন।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের সাবেক পরিচালক অ্যান্থনি ফাউচি প্রায় চার দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
টিএস