⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম (ভিজিটর : )

ইরান ইস্যুর পর এবার উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জানিয়েছেন, জি-৭ সম্মেলনের এক নৈশভোজে ট্রাম্প তাকে উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গে বিশেষভাবে মন্তব্য করেছেন।
লি জে মিয়ং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ট্রাম্প তাকে জানিয়েছেন যে উত্তর কোরিয়া ইস্যু এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার সময় এসেছে। তার মতে, ইরান-সংক্রান্ত সমঝোতার পর ওয়াশিংটন এখন পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক কর্মসূচির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোর কার্যকারিতা কমে গেছে। পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির সামরিক সহযোগিতা পিয়ংইয়ংকে আরও শক্তিশালী করছে।
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। বর্তমানে তাদের মধ্যবর্তী সীমান্তে ডিমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজেড) বিদ্যমান।
২০০৬ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর উত্তর কোরিয়া নিজেকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি করে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের ধারণা, দেশটির কাছে বর্তমানে কয়েক ডজন পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেছিলেন। তবে ওই আলোচনা থেকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি আসেনি।
টিএস