কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টার ঘটনায় পাঁচ দিন পর একই পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেছে বিজিবি। তবে এখনো শূন্যরেখায় আটকে রয়েছেন আরও পাঁচজন।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার ও তাদের দুই শিশুকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, অপর পাঁচজন এখনো রোদ-বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। উদ্ধার হওয়া পরিবারটিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে সীমান্তে আটকে থাকা পাঁচজনের বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি।
এর আগে, গত রোববার (১৪ জুন) ভোরে ভারতের আসাম সীমান্ত দিয়ে নয়জন বাংলাভাষী নাগরিককে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে বিজিবির বাধায় তারা শূন্যরেখায় আটকা পড়েন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিস্থিতির সমাধানের জন্য উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে।”
পিএম/আরএন