একমাস সাত দিন পর চেয়ারম্যান পেল দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে বুকে ব্যথার কথা বলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে সরকারি মোবাইল ফোন জমা দিয়ে ১১ মে থেকে আর অফিসে আসেননি দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মুহা. তৌহিদুল ইসলাম। তিনি লিখিতভাবেও কিছু জানাননি।
এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এক মাস সাত দিন পর নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের উল্লিখিত কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন স্কেল ও বেতনক্রমে তাঁর নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন করা হলো।
তাঁর নিয়োগের শর্তগুলো হলো— তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন; তিনি পদ-সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন; তিনি স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভবিষ্য তহবিল, যৌথ বীমা ও অন্যান্য তহবিলে চাঁদা দেবেন; বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়িভাড়া ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না; সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়িভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা দেবেন; বোর্ড কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তিনি লিভ স্যালারি ও পেনশনের চাঁদা দেবেন; এবং সরকারের প্রচলিত ও প্রণীতব্য বিধি-বিধান ও আদেশ অনুযায়ী তাঁর চাকরি নিয়ন্ত্রিত হবে।
অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ ১৯৯৬ সালে ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজ ও কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন।
২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর নুর মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এএইচ/আরএন